মরুবিজয়ের কেতন

একটা সময় ব্রাজিলে ছিল জিকো, সক্রেটিস, আলেমাও, ফালকাও, কারেকা, ছিল এডসন অ্যারেন্তাস ডু নাসিমেন্টোর ভিডিও, কিন্তু বিশ্বকাপ ছিল না। জিকোর ফ্রিকিক দেখতে এক হাজার মাইল যাওয়া ছিল, ডঃ সক্রেটিস ব্রাসিলিয়েরো সাম্পাইও দ্য সৌজা ভিয়েরা দ্য অলিভিয়েরার নেতৃত্ব ছিল, ছিল ব্যাকহিল, ছিল ডামি, থার্ডম্যান মুভ, ছিল ড্রিবল, কিন্তু সাফল্য ছিল না। প্রতিবার হয় রোসি নয় প্লাতিনি না হলে ফুটবলের বিতর্কিত রাজকুমারের বাঁপায়ের ছুরিতে ফালাফালা হয়ে গেছে হৃদয়।

- Advertisement -

তারপর এলো রোমারিও ডি সৌজা ফারিয়া, হোসে রবার্তো গামা বেবেতো। রাত জেগে অ্যামেরিকা থেকে কার্যকরি ফুটবলে বিশ্বকাপ এলো, এলো বাজ্জিও বারেসির পেনাল্টি মিস। এলো সাম্বা, এলো কার্নিভাল। কিন্তু তখনও কার্লোস আলবার্তো পেরেরার বদান্যতায় তিনি এলেন না। ফাইনালে হয়তো তিনি আসতেন, কিন্তু ভিওলা বলে এক অখ্যাত ফরওয়ার্ডকে নামালেন পেরেরা।

আসলে কিংবদন্তির পর্বতারোহণে ভিওলারা স্টেপওভারের কাজ করে। আরও দু বছর, তিনি এলেন। বার্সিলোনার কোচ ববই রবসন মাথার চুল ছিঁড়তে ছিঁড়তে বললেন, ‘রোনাল্ডোর মতো প্লেয়ার একজন্মে একবারই আসে’। যে চল্লিশ গজ নিচে নেমে বল নিয়ে বিপক্ষের জনা চারপাঁচেক ডিফেন্ডারকে রঙ দে বসন্তীর কভার ফোটোর স্টাইলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে গিয়ে বলের সঙ্গে গোলে ঢুকিয়ে দিয়ে আসেন।

রোনাল্ডো নাজারিও দ্য লিমা। একমাত্র ফুটবলার, যিনি বিশ্বের সর্বাধিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দুটি লিগে রেষারেষির উর্দ্ধে উঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দু জোড়া দলেই চুটিয়ে খেলে আসতে পারেন। দর্শক বিদ্রূপ এড়িয়ে। ফিগোকে মনে করুন। বার্সা থেকে যখন রিয়ালে এলেন, তখন তাঁর কপালে বছর দুয়েক জুড়ে লেগে ছিল ‘গাদ্দার’এর ট্যাগলাইন।

রোনাল্ডোর জন্য শুধুই ভালোবাসা, গ্যালারি জুড়ে। আর ত্রাস বিপক্ষের রক্ষণ বিভাগে। এই বুঝি ডাক পাঠালো, দীপালিকার জ্বালাও আলো! আর অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাত ধরে গোলে ঢুকে যেতে হবে। মালদিনি, নেস্তা, পুওল, জ্যানেত্তি, ক্যানাভারো, রিও ফার্দিনান্দ দুনিয়ার সব বাঘাবাঘা ডিফেন্ডার এক হও। এ যেন সদ্য টিনএজারে পৌঁছন গোঁফের রেখা ফুটে ওঠা বড় ছেলের বাপার সঙ্গে রথ দেখতে যাওয়া নিয়ে সমস্যা। হাত ধরব না, তবুও ধরতে হবে।

কনটেম্পোরারি জিনেদিন জিদান বলেছিলেন, পেনাল্টি বক্সে রোনাল্ডো একশ রকম ড্রিবল জানেন। জানে মাথা নিচু করে ছুটে যাবার সময় নির্লোম টাকে পিছলে যায় ডিফেন্ডারদের হাহাকার, শাপান্ত। জানে দূরের সিগনালে ট্রেন দেখতে পাওয়া চাতক পাখির মত প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীর মতো গোলের ছিটেফোঁটা দেখতে পাওয়া রোনাল্ডোর জাল ছিঁড়ে দেবার ক্ষমতা।

কাঁহাতক আর সহ্য করা যায় ? ইন্টারমিলানে সিনবোন দুটুকরে হল। একবার নয় দু দুবার। মালাই চাকি ঘুরে গেল। আর এলো বিশ্বকাপ ফাইনালের রহস্যময় সিজার। ন্যায়িকের চাপে খেললেন। কিন্তু নিষ্প্রভ রোনাল্ডো লরা ব্লাঁ আর বার্থেজের মধ্যে পিষে যাচ্ছেন আর শত্রু জিদান দুটো হেডে ট্রফি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। স্টাড ডে ফ্রান্সে এই চিত্রই হয়ে থাকল অমলিন।

আসলে রোমান্টিসিজম একটা মানসিকতা। বয়সের সাথে সাথে যা এক সময় জীবন থেকে মরীচিকার মতো হারিয়ে যায়। বাস্তবের রুক্ষ জমিতে আছাড় খেতে খেতে যদি জীবনের কোনও মুহূর্তে রোমান্টিসিজম আবার হাত বাড়ায়, কোনও এক অজানা ভয়ে তার স্নেহস্পর্শ পেতে আর আকাঙ্ক্ষা হয় না। কারণ, ওই বয়সটা বাস্তবের কাছে হারতে হারতে ক্লান্ত। যুক্তি বুদ্ধির বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে পরিশ্রান্ত। আজ যে আছে, কাল সে নেই, এই চিন্তা জীবন থেকে রোশনাই কেড়ে নেয়। রোমান্টিসিজমের রংমশাল জ্বালাতে ইচ্ছে করেনা আর।

কিন্তু, একটা বয়স থাকেই, যখন সর্বস্ব পণ করেই মানুষ রোমান্টিসিজমের শরিক হয়। ছোটবেলায়। স্কুলজীবনের সেই দুষ্টু মিষ্টি সময়, ঝালমুড়ি, স্কুলছুটির পর সবাই একসাথে বাড়ি ফেরা। ঈদের আগের রাতে বাজি ফুটিয়ে পাড়া মহল্লা একাকার,  পরিণতি পাবে কিনা সেই চিন্তা দূরে রেখে বর্তমানের সাথে পাঞ্জা লড়ার প্রেম।

অন্যদিকে, কল্পনার জগত থেকে ফিরে, অবচেতন মন ভাবতে থাকে সেই দুঃখের ইতিহাস। ছিয়ানব্বই-সাতানব্বইয়ে ভুবনজয়ী সেই দুটো বছর অথবা আটানব্বইয়ের বিশ্বকাপে স্বয়ং পেলের সাথে তুলনা, দেখিনি এগুলা। পেপার ম্যাগাজিনে পড়তে পড়তেই রোমান্টিসিজম যখন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে, অমানিশা তখনই তার খেলা দেখাতে শুরু করলো।  তার পরের তিন বছরে সর্বসাকুল্যে মাত্র ছয় মিনিট মাঠে নামা, এরপর আর ইন্দ্রজালে বিশ্বাস থাকে ? কিন্তু, করতে হয়। ইচ্ছা-অনিচ্ছার দোটানাকে দূরে সরিয়েই করতে হয়। এভাবেই সিরিয়া-ইরাকের যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশে কোনও সর্বহারা পথশিশু রোজ পেটভরে খাওয়ার স্বপ্ন দেখে। এভাবেই অনার্স কেটে যাওয়ার পর খাতা রিভিউ করতে দেওয়া কোনও ছাত্র শেষ স্বপ্ন দেখে বছরটা বাঁচানোর। এভাবেই ব্যবসার তিন বছর পরেও লাভের মুখ না দেখা কোনও ব্যবসায়ী নতুন অফার দিতে শুরু করে লাভের আশায়। তিনিও ভেবেছিলেন, তাই হয়তো ফলাও করে বলেছিলেন,

“২০০২ বিশ্বকাপে আমার উপর বাজি লাগান, নিরাশ হবেন না”। তিনিও ভেবেছিলেন, তাই আট-আটটা ব্রহ্মাস্ত্র আছড়ে পড়েছিলো, শুধু গোলে নয়, সমালোচকদের মুখেও। তিনি ভেবেছিলেন, তাই যে মানুষটাকে ফুটবল বিশেষ’অজ্ঞ’রা খরচের খাতায় ফেলে দিয়েছিলেন, এলো ২০০২। সিনবোন চোট থেকে ফিরে আসা রোনাল্ডো তখন রিহ্যাবে। রোনাল্ডিনহো গাউচো তখনও ফুল হয়ে ফোটেন নি, এক শুধু বার্সার রিভাল্ডো। কিন্তু তিনি তো প্লেমেকার। রোনাল্ডো ফিরে আসছেন মাঠে। কিন্তু পারবেন কি তিনি ? চকিত গতিতে ডিফেন্ডারকে মাটি ধরিয়ে দিয়ে বুলডোজারের মতো মাটি কাটতে কাটতে এগিয়ে যাচ্ছেন গোলকিপারের অমোঘ নিয়তি। প্রথম ম্যাচেই টের পেলেন সেই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেরা গোলকিপার রুস্তু রেকোবা। আর ফাইনালে টের পেলেন বিশ্বের সেরা অলিভার কান। ওই রোনাল্ডো আসছে! এই ভয়েই বোধহয় হাত থেকে বল বেরিয়ে যায় কানের। ফাইনালের দু’গোল। রিহ্যাবের অন্ধকার প্রতীক্ষা পেরিয়ে আবার ফেরা আলোর সরণীতে। অতঃপর তিনি ফিরে এসে সোজা ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়।

কিছু কিছু আঘাত বারবার ফিরে আসে। হাড়ের টুকরো হয়ত জুড়ে যায় কিন্তু মূল্য চোকাতে হয় সাংঘাতিক। ওজন বাড়ে, লোকে গাল দেয় । আসলে ইউরোপের অনুশাসন ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার উদ্দামতাকে প্রথম বিশ্বের দৃষ্টিতে ধরতে পারে না। তাই গাল দেয়, আনসিরিয়াস রোনাল্ডো বলে। ফ্যাবিও ক্যাপেলারা বসিয়ে দেন। বাদ দিয়ে দেন রোনাল্ডো নাজারিও দ্যা লিমাকে।

আসলে আজকের মেসি, সিআর সেভেন জমানার ৫-৬ ব্যালন ডি’অর দেখা ফ্যানের মধ্যে অনেকেই হয়তো বুঝতে পারবে না রোনাল্ডো নাজারিও কী ছিলেন। জিজ্ঞাসা করতে হলে যেতে হবে নেস্তা, কন্তোনা, পুওল, ফার্দিনান্দ, মালদিনি, অঁরিদের কাছে। পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিথযশা স্ট্রাইকারদের কাছে যেতে হবে আইডল হিসাবে কেন রোনাল্ডো, জানতে।

জানতে হবে তদানীন্তন ফুটবলে গতির সঙ্গে ড্রিবল, দুরন্ত শট, টো-পোক, বডি সোয়ার্ভ করতে পারাটা কোন স্তরের ছিল। কোন স্তরের ছিল গোলকিপারদের দুঃস্বপ্নের রাতগুলি। ঘুমের মধ্যে মানুষ বড় অসহায়, একা হয়ে যায়। রোনাল্ডোর সামনে বিপক্ষের রক্ষণ আর গোলকিপারও যেন শীতঘুমে কুঁকড়ে যান।

আসলে আমরাও একদিন বড় হয়ে যাবো, বুড়ো হয়ে যাবো। চুলে পাক ধরে রক্ত ঠাণ্ডা হয়ে যাবে আর দেখবো ব্রাজিলেরই মাঠে দাঁড়িয়ে বিশ্বত্রাস রোনাল্ডোর বিশ্বকাপের রেকর্ড ভাঙেছেন আর একজন পোচার। বেলো হরিজন্তের সেই অভিশপ্ত সেমিফাইনালের আগে যিনি কোয়ার্টার ফাইনালের উপরে গোল করেননি। রোনাল্ডোর রেকর্ড এখন নেই। সেটা এখন মিরোস্লাভ ক্লোসার ডিগবাজির কাছে বন্ধক রাখা আছে। কিন্তু লিজেন্ড লিজেন্ড থেকে যায়। গল্প থেকে যায়। থেকে যায় ডিফেন্ডারদের জমি ধরার কাহিনীগুলো।

এসব পেরিয়ে সামান্য উঁচু দাঁতের শিশুর মত হাসিওলা দানবটি দু হাত ছড়িয়ে দেন, যেন বল্ড ঈগল, যেন রাইট ব্রাদারদের উড়ন্ত বিমান। বোয়িং ৭৮৭এর বিশালত্ব আর উড়নতুবড়ির তীব্রতা নিয়ে স্মৃতির আকাশে যিনি অমলিন। ভীমসেনের মতো ভিত পাণ্ডব সেনার উদ্ধারে নেমে পড়েন বিশ্বত্রাতা, বিশ্বত্রাস রোনাল্ডো নাজারিও দ্যা লিমা। তিনি ভেবেছিলেন, তাই সুদূর এশিয়ার বাংলাদেশের ও কিছু ফুটবল প্রেমী সর্বস্ব পণ করেই তাঁর প্রেমে পড়েছিলো, এক কথায় তাকে আজও ফুটবল স্রষ্টা মানে। তিনিই যেন রোমান্টিসিজমের একমাত্র শরিক। যেন একা হাতে সব প্রতিকূলতাকে ভেঙ্গেচুরে তছনছ করে দেবেন, যেভাবে ইতালি-স্পেনের ক্লাবগুলোর রক্ষণভাগকে একা হাতে মাটি ধরাতেন একসময়।

ফুটবল খেলাটাই এখন পালটে গেছে। এখন হাই প্রেসিং, লো ডিফেন্ডিং, কাউন্টার অ্যাটাকিং ম্যান মার্কিং-এর জায়গায় কভারিং, জোনাল প্রেসিং। স্ট্রাইকারদের এখন নিচে নেমে এসে পেনাল্টি বক্সের বাইরে ট্যাকল করতে হয়। খাঁটি ন’নম্বররা বিপক্ষ ডিফেন্ডারকে পিঠে নিয়ে নিজের গোলের দিকে মুখ করে নায়ক দশ নম্বরের জন্য খাবার সাজিয়ে দেন। আর কালেভদ্রে করিম বেঞ্জিমার মত উচ্ছিষ্ট পান, সেকেন্ড স্ট্রাইকারের মর্যাদা নিয়ে।

কিন্তু রোনাল্ডো নাজারিও ছিলেন আদি অকৃত্রিম নম্বর নয়। যিনি দশ নম্বরের বাজারেও ন’নম্বরকে সেরার শিরোপা পরান। ডিফেন্ডার পিঠেই থাকে কিন্তু বল থাকে গোলে। চৌকো গোলে গোল বল ঢোকান আর নাইন। দ্য অরিজিনাল রোনাল্ডো। আর আমরা নশ্বররা! আমরা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিই উৎসবের আনন্দ। আর উপরওলাকে ধন্যবাদ দিই, সেই দৃশ্য দেখতে পেয়েছি বলে। পিঠে কাঁধে কোলে কাঁখে চার ডিফেন্ডার সঙ্গে নিয়ে সোজা ছুটে চলেছে রাজধানী এক্সপ্রেস টার্মিনাল স্টেশন ভেদ করে কোথায় গিয়ে থামবে সে। হ্যাঁ একসময় থামবে সে।

উইকি অনুসারে ১৮ই সেপ্টেম্বর তোমার জন্মদিন , যদিও তুমি প্রতিবছর বাইশেই তোমার জন্মদিন পালন করো, কিন্তু শ্রদ্ধার্ঘ্যটা প্রতিবারের মতো এই বাইশেই ছুঁড়ে দিলাম। ভালো থেকো। রোনাল্ডো নাজারিও দ্যা লিমা, দ্য অরিজিনাল রোনাল্ডো।

লেখাটি শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Related articles

আরো খবর

বিজ্ঞাপন

LATEST ARTICLES

১০ জনের দল নিয়েও জয় তুলে নিলো বার্সেলোনা!

লা লীগায় নিজেদের টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নেয় এফ সি বার্সেলোনা। গতরাতে এটি ছিলো বার্সার এ সিজনে প্রথম এওয়ে ম্যাচ। গত সিজনে এওয়ে...

বড় জয় দিয়ে ২০২০/২১ এর লীগ শুরু করলো এফ সি বার্সেলোনা।

দলের বেশ কিছু সিনিয়র প্লেয়ারের বিদায়ের পর অভিজ্ঞ লিওনেল মেসি, পিকে, আলবা, বুস্কেটস সহ গ্রিজম্যান ও কৌতিনহো কে নিয়ে একাদশ সাজায় নতুন ম্যানেজার কোয়েমান।...

কটু কথা বললেই মামলা ঠুকে দিবেন বাফুফে সভাপতি সালাউদ্দিন!

আগামী বাফুফে নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম বাফুফে ভবন। বাংলাদেশে ফুটবলের গত ১ যুগের বেহাল দশার নগ্ন দিক যখন সামনে তখনই এই নির্বাচনকে ঘিরে চলছে...

কোচ হিসাবে লা লিগায় শততম জয় তুলে নিলেন জিনেদিন জিদান

কোচ হিসাবে লা লিগায় শততম জয় তুলেন রিয়াল মাদ্রিদ বস জিনেদিন জিদান। রিয়াল মাদ্রিদের হয় এ পর্যন্ত ১৪৭ টি লা লিগা ম্যাচে ডাগ আউটে...

৩গোলে পিছিয়ে পড়েও চেলসির ড্র

এবারের ট্রান্সফার মার্কেটে টাকার বস্তা নিয়ে মাঠে নেমওে সুবধা করতে পারছে না চেলসি। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে ফেলেছে চেলসি। তবে ফলাফল...

জয়ে ফিরলো রিয়াল মাদ্রিদ

লা লিগার নতুন মৌসুমের শুরুটা ভালো হয়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের। গত সপ্তাহে যে গোলশূন্য ড্র করে এসছে সোসিয়েদাদের বিপক্ষে। তবে জয়ে ফিরতে বেশি...
2,837FansLike
8FollowersFollow
813FollowersFollow
79SubscribersSubscribe