spot_img

বার্সেলোনা বোর্ডের বিরুদ্ধে ২০৭৩১ নো কনফিডেন্স ভোট!

নো কনফিডেন্স মোশন, বার্সেলোনা সোসিওদের বোর্ডের প্রতি অনাস্থা প্রকাশের একটি মাধ্যম। শেষ কয়েক বছর ধরেই বার্সেলোনা বোর্ডের নানা অনিয়ম ও ট্রান্সফারের বিরুদ্ধে কথা উঠে আসছিলো। এমনকি খেলোয়াড় ও প্রতীদ্বন্ধী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর জন্য ক্লাবের টাকা খরচ করে থার্ড পার্টি ভাড়া করা হয়েছিলো এমন মারাত্মক খবরও প্রকাশ পায় সংবাদ মাধ্যমে।

- Advertisement -

তবে রোমা কান্ডের পর একে একে এল ক্লাসিকো, কোপা দেলরে, এনফিল্ড এবং সর্বশেষ বায়ার্ন লজ্জার পরও বার্তেমেউ পদত্যাগ করবেনা বলে সরাসরি জানিয়ে দেয় এমনকি নির্বাচনের সময়ও এগিয়ে আনার তার কোন পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে বার্তেমেউ বোর্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় বারের মতো ‘নো কনফিডেন্স মোশন‘ এর সিদ্ধান্ত নেয় কতিপয় সোসিও। এর আগে প্রেসিডেন্ট ক্যান্ডিডেট বেনিদেতো একবার চেষ্টা করেছিলো বার্তেমেউর বিপক্ষে নো কনফিডেন্স ভোট নিয়ে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করাতে। তবে সেবার প্রয়োজনীয় ১৬৫২০ ভোটের মধ্যে ১২০০০ ভোট পেয়েই থেমে যেতে হয় তাকে।

এবারের বিষয়টি ছিলো একেবারেই ভিন্ন একদিক দিয়ে আগের নো কনফিডেন্স ভোটের চাইতেও কঠিন। কারন করোনা ভাইরাসের কারনে এমনিতেই খেলা হলেও মাঠে দর্শক আসা বারন। তার উপর বর্তমানে সীজন শেষের বিরতী চলছে। প্রি সীজনের ম্যাচও বার্সেলোনা খেলছে নিজেদের ট্রেনিং গ্রাউন্ডে। এর মধ্যেই ১৬৫২০ ভোট অতিক্রম করবে তা হয়তো কেউই ভাবেনি।

তবে সে অসম্ভব কাজটিই সম্ভব করে দেখিয়েছে একদল স্বপ্নবাজ মানুষ। তাদের এ কাজে সবচেয়ে বড় বুষ্ট করে দিয়েছেন বার্সেলোনার এ যাবৎকালের সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। বায়ার্ন ম্যাচের পর দল ছাড়তে চাইলেও সেটা কেন ছাড়তে চেয়েছেন তা স্বষ্ট করে দিয়েছেন মিডিয়ার সামনে। সেটাই বারুদ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সোসিওদের মধ্যে। তারই বহিপ্রকাশ এই করোনার মধ্যেও ন্যু ক্যাম্পে কোন খেলা না থাকা স্বত্তেও ২০৭৩১ ভোট সত্যিই অবিশ্বাস্য।

তবে এই ভোটেই যে বার্তেমেউ প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে দিতে হবে তা নয়। ইতোমধ্যে এই নো কনফিডেন্স মোশনের পরও বার্তেমেউ আবারো জানিয়ে দিয়েছে তার পদত্যাগ করার কোন ইচ্ছাই নেই। তবে বসে থাকবেনা সোসিওরা নো কনফিডেন্স এর পরবর্তী ধাপে পা দিতে যাচ্ছে তারা। নিয়ম অনুযায়ী এখন পরবর্তী ধাপের ভোট হবে সেখানে সোসিওরা আবারো ভোট প্রদান করবেন যার ৬৬% ভোট যদি বার্তেমেউর বিপক্ষে পড়ে তবে বার্তেমেউ পদত্যাগ করুক আর না করুক সে অটোমেটিকই প্রেসিডেন্ট পদ হারাবে।

নিয়ম অনুযায়ী আগামী ২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নির্বাচন, সে নির্বাচনের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী লাপোর্তা ও ভিক্টর ফন্টও এই কার্যক্রমে বর্তমানে সরাসরি জড়িত হয়ে গেছেন। এখন দেখার বিষয় বার্তেমেউ বোর্ড এই প্রতিকূলতার পরও টিকে যেতে পারে কিনা নাকি নিজ থেকেই পদত্যাগ করেন।

লেখাটি শেয়ার করুন

spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Related articles

আরো খবর

বিজ্ঞাপনspot_img

LATEST ARTICLES

2,875FansLike
8FollowersFollow
940FollowersFollow
81SubscribersSubscribe
Zakir Mahmud
Zakir Mahmudhttps://footcricinfo.com
Hi Everyone I'm Zakir Mahmud, professionally I'm an engineer. But I love sports & I love to explore it with all the sports lovers in the world. That's why I write about sports & off-course I steel learning but I'm confident about my work. I hope you enjoy it. Thank you & love.....